সকালটা হব হব করছে। কিন্তু এর মধ্যেই পুরো বিছানা ভিজে গেছে ঘামে। এমনকি বালিশটাও।ফুল স্পিডে ফ্যান চালিয়েও ঘরের ভেতর ঘামছি। ভাইয়ার রুমে এসি আছে, ওখানে যাব কি যাব না ভাবছি, এমন সময় জানালায় টোকা—রবিন! রবিন!!এ কণ্ঠ কার, জানা আছে আমার।দাদু তার এলাকার গল্প শোনাত—শৈশবের গল্প। তার লুঙ্গি পরা-হাফপ্যান্ট জীবনের গল্প। এ কণ্ঠের সঙ্গে সে গল্পের শুধু মিল না, আছে আরও কিছু।
আছে কিছু রহস্য আর অনেকখানি ভয়।চুল থেকে টপ করে একফোঁটা ঘাম পড়ল গলায়। আবার টোকা—রবিন! অ্যাই রবিন!!সাদ্দাম হোসেনের কণ্ঠ, জানি। জানালা এখন খুলতে যাওয়া মানেই…দাদুর ভাষায়—খুলেছ কি মরেছ!সে তো অনেক অনেককাল আগের কথা। দাদু তখন গ্রামে থাকত। বাস করত পাগলা নদীর পাড়ে। পাগলা নদী নাকি পেরিয়ে যাওয়া যেত একলাফে—আর গেলেই চলে যাওয়া যেত ভিনদেশে। সেখানে এত এত ফুলের বাগান। লাল-কমলা-হলুদ ফুল। বাগানের মাথার ওপর ঝাঁক ঝাঁক প্রজাপতি।
কী যে সুন্দর সেসব দেখতে!
সূত্র: প্রথম আলো