‘বাবা আমার, মন দিয়ে শোন। আজ তোর ইংরেজি পরীক্ষা। পারিস আর না পারিস, খাতায় অন্তত গোটা চারেক আন্ডা যেন আসে! ঘরে কিন্তু ডিমের স্টক শেষ, রাতে মেহমান আসবে।’আজ সকালে রান্নাঘরে গিয়ে এক চরম ধাক্কা খেলাম। ডিমের হালি নাকি ষাট টাকা পার হয়ে যেতে পারে! বাজারে গেলে এখন ডিমের ঝুড়ির দিকে তাকালে মনে হয়, এই তো—এগুলোই তো বিশ্ববিখ্যাত গ্রিক গল্পকার ঈশপের গল্পের সেই সোনার ডিম দেওয়া হাঁস-মুরগির ডিম!
চারদিকে এখন ডিমের বাজারে আগুন লাগতে শুরু করল। কী হয় না হয়, আল্লাহই মালুম...।বাজারের ডিমগুলোর দিকে তাকালে বড্ড আফসোস হয়! কেন জানেন? স্কুলে থাকতে মাস্টারমশাইরা পরীক্ষার খাতায় আমায় যে পরিমাণ লাল কালির আন্ডা উপহার দিয়েছিলেন, সেগুলো যদি সত্যি সত্যি ফার্মের হাঁস-মুরগির ডিম হয়ে বাস্তবে ফিরে আসত! তাহলে আজ আমি কে হতাম? উত্তর হলো—‘দ্য গ্রেট আন্ডা সম্রাট’!
আজ তাহলে আমাকে আর চাকরি বা ব্যবসার পেছনে ছুটতে হতো না।আমার স্কুলের দিনগুলোর কথা ভাবলে এখনো গায়ে কাঁটা দেয়।
সূত্র: প্রথম আলো
মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন