advertisement

ইউরোপে যুব সংগঠনের হাত ধরে যেভাবে উগ্র ডানপন্থার বিস্তার

ইউরোপে যুব সংগঠনের হাত ধরে যেভাবে উগ্র ডানপন্থার বিস্তার
ফ্রান্সের উগ্র ডানপন্থী দলের নেতা জর্ডান বার্দেলা ও মারিন লো পেন
ফটো কার্ড প্রিন্ট

পশ্চিম ইউরোপের সবচেয়ে সফল পপুলিস্ট উগ্র ডানপন্থী দলগুলোর নেতাদের মধ্যে এমন একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা প্রায়ই চোখ এড়িয়ে যায়। ইতালির মাত্তেও সালভিনি, ফ্রান্সের জর্ডান বারদেলা, সুইডেন ডেমোক্র্যাটসের জিমির আকিসন এবং বেলজিয়ামের ‘ফ্লামস বেলাং’-এর টম ভ্যান গ্রিকেন—তাঁরা সবাই এখন যে দলগুলোর প্রধান, অতীতে সেগুলোর যুব সংগঠনের নেতৃত্বে ছিলেন।

ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি ছিলেন উগ্র ডানপন্থী যুব সংগঠনের সাবেক নেতা। তিনি বলছিলেন, ‘একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে গড়ে ওঠার চেয়েও একজন মানুষ ও ইতালীয় হিসেবে আমার আত্মপ্রকাশের পেছনে আমার যুব সংগঠন অ্যাকটিভিজমের অবদান সবচেয়ে বেশি। এর চেয়ে ভালো রাজনৈতিক শিক্ষার জায়গা আর হতে পারে না।’ আমাদের নতুন বই ইয়ুথ উইংস অব দ্য পপুলিস্ট র‍্যাডিক্যাল রাইট–এর গবেষণায় আমরা ইউরোপের এমন ১০টি সংগঠন বিশ্লেষণ করেছি।

আমরা দেখেছি, এগুলো উগ্র ডানপন্থীদের তৃণমূল কর্মী, প্রতিনিধি এবং ভবিষ্যতের নেতাদের সংগ্রহ, প্রশিক্ষণ ও পদোন্নতিতে সাহায্য করে।ইউরোপ কেন যুদ্ধের জন্য তৈরি হচ্ছেআমরা লক্ষ করেছি যে ২০২০-এর দশকে উগ্র ডানপন্থী দলগুলো যখন সম্প্রসারিত হচ্ছে, তখন যুব সংগঠনের নেতা ও তাঁদের সাধারণ কর্মীরা দলীয় তিনটি মূল লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করছেন: আন্তর্জাতিকীকরণ, পেশাদারত্ব এবং গ্রহণযোগ্যতা অর্জন (অথবা স্বাভাবিকীকরণ)।প্রথমত, এই যুব সংগঠনগুলো তাদের মূল দলের চেয়েও এক ধ...

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

চড়–কাণ্ডের আট মাস পর অভিনেত্রী তিশা–অথৈকে নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত চড়–কাণ্ডের আট মাস পর অভিনেত্রী তিশা–অথৈকে নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত কুমিল্লায় গার্ড অব অনার ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন, স্বজনদের ক্ষোভ কুমিল্লায় গার্ড অব অনার ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন, স্বজনদের ক্ষোভ ডাক্তার তো দিতেই পারেন না, পোস্ট ভূরি ভূরি খালি: সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডাক্তার তো দিতেই পারেন না, পোস্ট ভূরি ভূরি খালি: সমাজকল্যাণমন্ত্রী শিল্পকলা একাডেমির প্রশাসনিক ভবনে গাড়িচালকের সংসার, দায় নিচ্ছেন না কেউ শিল্পকলা একাডেমির প্রশাসনিক ভবনে গাড়িচালকের সংসার, দায় নিচ্ছেন না কেউ খুলনায় রবীন্দ্রনাথের প্রতিকৃতিতে কালি, ‘কারণ’ জানিয়ে পাশে সাঁটানো হয় পোস্টার খুলনায় রবীন্দ্রনাথের প্রতিকৃতিতে কালি, ‘কারণ’ জানিয়ে পাশে সাঁটানো হয় পোস্টার
advertisement

চড়–কাণ্ডের আট মাস পর অভিনেত্রী তিশা–অথৈকে নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত

চড়–কাণ্ডের আট মাস পর অভিনেত্রী তিশা–অথৈকে নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত
তানজিন তিশা ও সামিয়া অথৈই

শুটিং সেটে মারধরের অভিযোগ ও পাল্টাপাল্টি বক্তব্যের জেরে অভিনেত্রী তানজিন তিশা ও সামিয়া অথৈ—দুজনেরই সদস্যপদ অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করেছে অভিনয়শিল্পী সংঘ, বাংলাদেশ। এর আগে দুই অভিনেত্রীর বিরোধ মীমাংসায় একাধিকবার উদ্যোগ নিয়েছিল সংগঠনটি।

তবে সেই উদ্যোগ সফল হয়নি বলে জানিয়েছেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মামুন অপু।গত ৪ অক্টোবরের তানজিন নাহার তিশা ও সামিয়া আক্তার অথৈ বরাবর পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, গত ৭ জুলাই তাঁদের ‘সদস্যপদ স্থগিতকরণ’ সংক্রান্ত কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল; কিন্তু দুজনের কেউই ওই নোটিশের জবাব সংগঠনের কার্যালয়ে জমা দেননি।চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বিষয়টি নিয়ে অভিনয়শিল্পী সংঘ বাংলাদেশের সালিস বা বিবাদ মীমাংসাকরণ বৈঠকে আলোচনা হয়।

সেখানে গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সংগঠনের কার্যনির্বাহী পরিষদের নিয়মিত সভায় দুই অভিনেত্রীর সদস্যপদ অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।চিঠি দুটিতে স্বাক্ষর করেছেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মামুন অপু ও সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ রানা মিঠু।‘একাধিকবার বসেও বিরোধ মেটানো যায়নি’এ বিষয়ে অভিনয়শিল্পী সংঘ বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মামুন অপু প্রথম আলোকে বলেন, ‘অভিনয়শিল্পী সংঘের পারস্পরিক দ্বন্দ্ব নিরসনের জন্য একটি সালিস কমিটি আছে, যা সার্বভৌম এবং স্বাধীন।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

কুমিল্লায় গার্ড অব অনার ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন, স্বজনদের ক্ষোভ

কুমিল্লায় গার্ড অব অনার ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন, স্বজনদের ক্ষোভ
বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তার

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় রাষ্ট্রীয় সম্মান (গার্ড অব অনার) ছাড়াই চিরনিদ্রায় শায়িত হয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তার (৭৮)। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পরিবার ও স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা। দাফনের সময় উপজেলা প্রশাসনের কেউ উপস্থিত না থাকায় গার্ড অব অনার দেওয়া সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে রাজধানী ঢাকায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন আব্দুস সাত্তার। তাঁর বাড়ি উপজেলার সদর ইউনিয়নের মহালক্ষ্মীপাড়া গ্রামে।

তিনি একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন। অবসরের পর ছেলের সঙ্গে ঢাকায় বসবাস করতেন।বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় ঢাকায় প্রথম জানাজা শেষে তাঁর মরদেহ গ্রামের বাড়ি মহালক্ষ্মীপাড়ায় আনা হয়। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তাঁর মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছায়।পরিবারের সদস্যরা জানান, গার্ড অব অনার দেওয়ার মাধ্যমে আব্দুস সাত্তারকে শেষবিদায় জানাতে উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে তাঁরা যোগাযোগ করেছিলেন।

পুলিশ সদস্যরা পৌঁছালেও শেষ পর্যন্ত প্রশাসনের কোনো প্রতিনিধি আসেননি।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

শুধু পাকিস্তাননিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরই নয়, সময় এসেছে নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও সিলেট পুনরুদ্ধারের: বিজেপি এমপি নিশিকান্ত

শুধু পাকিস্তাননিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরই নয়, সময় এসেছে নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও সিলেট পুনরুদ্ধারের: বিজেপি এমপি নিশিকান্ত
ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির লোকসভা সদস্য নিশিকান্ত দুবে

ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির লোকসভা সদস্য নিশিকান্ত দুবে দাবি করেছেন, শুধু পাকিস্তাননিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরই নয়, সময় এসেছে বাংলাদেশের নোয়াখালী, সিলেট ও চট্টগ্রাম বন্দর ‘পুনরুদ্ধার’ করার। ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর নীতিকে দায়ী করে বিজেপির এই এমপি বলেন, কাশ্মীরের অংশ ছাড়াও নোয়াখালী, সিলেট ও চট্টগ্রাম বন্দর জোর করে পাকিস্তানকে হস্তান্তর করেছিলেন তিনি।

ওই তিনটি অঞ্চলই তৎকালীন ত্রিপুরা রাজ্যের অন্তর্গত ছিল বলে দাবি করেন এই নেতা। শুক্রবার ভারতের বার্তা সংস্থা এএনআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব মন্তব্য করেন নিশিকান্ত দুবে। তিনি ভারতের ঝাড়খন্ড রাজ্যের গোড্ডা আসন থেকে নির্বাচিত লোকসভার সদস্য।

উল্লেখ্য, এই গোড্ডাতেই শিল্পপতি আদানির বিতর্কিত তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি অবস্থিত, যেখান থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ বাংলাদেশে সরবরাহ করা হয়।সাক্ষাৎকারে দেশভাগের সময়কার জওহরলাল নেহরুর নীতির তীব্র সমালোচনা করে নিশিকান্ত বলেন, তৎকালীন ত্রিপুরার রাজা বীর বিক্রম সিং নিজের রাজ্যের অংশ হস্তান্তর নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন